ঢাকায় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ (করোনা দুর্যোগে দুস্থ মানুষের পাশে “ প্রচেষ্টা ওয়ার্ল্ড ক্লিন”)

ঢাকায় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ (করোনা দুর্যোগে দুস্থ মানুষের পাশে “ প্রচেষ্টা ওয়ার্ল্ড ক্লিন”)

প্রজেক্ট : ঢাকায় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ (করোনা দুর্যোগে দুস্থ মানুষের পাশে “ প্রচেষ্টা ওয়ার্ল্ড ক্লিন”)
এলাকা : লালমাটিয়া , রায়েরবাজার এবং জেনেভা ক্যাম্প এলাকায় ।
যে সকল স্বেচ্ছাসেবী নিয়ে এই টিম কাজ করেছে তাদের সকলকে “প্রচেষ্টা ওয়ার্ল্ড ক্লিন” এর পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ আর কৃতজ্ঞতা ।সৈয়দ সাইফুল আলম শোভন ভাই ও হিমু মুরাদ ভাই এর সাহসী আর বিচক্ষন পদক্ষেপ ছাড়া দুদিন এর “খাদ্যসীমগ্রী বিতরন” কার্যক্রম টি সম্ভব হতো না।
কাযর্ক্রম বিবরন : “প্রচেষ্টা ওয়ার্ল্ড ক্লিন” গত বছরের মতো এবছরেও চেষ্টা করে যাচ্ছে লক ডাউন এ বিপর্যস্থ শ্রমজীবী কিছু পরিবারের পাশে দাঁড়াতে ।ঢাকার রায়েরবাজার, লালমাটিয়া ও জেনেভা ক্যাম্প এ বসবাসকারী ১০০ টি পরিবারের মাঝে অন্তত ৭ দিনের খাদ্যদ্রব্য বিতরণ করেছে।টিম লিডার হিমু মুরাদ ও তার স্বেচ্ছাসেবকদের দলটি সুরক্ষায় ব্যবহার্য গ্লাভস, মাস্ক, সানিটাইজার সহ কিট তৈরী করে, খাদ্যসামগ্রী বাজার করা ও বাসায় গিয়ে গিয়ে বিতরণ এর কাজ তথা সম্পুর্ণ কার্যক্রমটি সুষ্ঠভাবে সম্পাদন করেন।তবে কয়েকটি পরিবার নির্দিষ্ট একটি স্থানে এসে খাদ্যসামগ্রী নিয়েও যান।খদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয় রায়েরবাজার, লালমাটিয়া ও জেনেভা ক্যাম্প এলাকার রিকসা শ্রমিক, মহিলা গৃহ কর্মী ও রাস্তায় জীবিকা নির্বাহ করে এমন ক্ষুদ্র বিক্রেতা দের মাঝে।
অনুদানের বিবরন :
প্রচেষ্টা’র কানাডা , আমেরিকা প্রবাসী বাংলাদেশী সদস্য ও শুভাকাংখীদের আর ঢাকার কয়েকজন সদস্য ও শুভাকাংখির আর্থিক অনুদানে এই প্রকল্পটির বাস্তবায়ন হয় ।
অনুদানের পরিমান: ৭৩,০০০/- ( ১০০ টি পরিবারের জন্য + আনুসাংগিক খরচ)
যা যা দেওয়া হয়েছে :
৬ কেজি চাল, তেল ১ কেজি চিড়া ১ কেজি, আলু ৫ কেজি, পেয়াজ ১ কেজি, লবন ১ কেজি, চিনি ১ কেজি ।( ৭০০/- approx প্রতি প্যাকেজ)